জুন / ২৬ / ২০২২ ০৮:৫২ পূর্বাহ্ন

জৈন্তা বার্তা ডেস্ক::

মে / ১৬ / ২০২২
০৭:২১ অপরাহ্ন

আপডেট : জুন / ২৬ / ২০২২
০৮:৫২ পূর্বাহ্ন

সমালোচনা না করে মেগা প্রকল্পগুলোর সুফল দেখুন :প্রধানমন্ত্রী



44

Shares

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মেগা প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের সুফল বিবেচনা না করাটা দুঃখজনক। সমালোচকদের শুধু খরচের দিকটা না দেখে মেগা প্রকল্পগুলো দেশের অর্থনীতিতে কতটা অবদান রাখবে তা বিবেচনা করা উচিত। 

সোমবার (১৬ মে) সকালে ‘টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি)-এর বাস্তবায়ন পর্যালোচনার জন্য দ্বিতীয় জাতীয় সম্মেলন’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে (ভার্চ্যুয়াল) প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী।

মেগা প্রকল্পগুলোর সুফল জনগণ পাবে জানিয়ে টানা তিনবারের সরকার প্রধান বলেন, আমরা যেমন ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিয়েছি। আমরা বিভিন্ন মেগা প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি এবং এর সুফলটা কিন্তু এদেশের মানুষ পাবে।

শেখ হাসিনা বলেন, অনেকেই হয়তো এখন সমালোচনা করেন।

এটা করা হচ্ছে কেন বা পরমাণু বিদ্যুৎ কেন করা হলো, এত টাকা খরচ হয়েছে। খরচের দিকটা অনেকে শুধু দেখেন কিন্তু এই খরচের মধ্য দিয়ে দেশের জনগণ যে কত লাভবান হবে এবং আমাদের অর্থনীতিতে কতটা অবদান রাখবে, আমাদের উন্নয়ন গতিশীল হবে, মানুষের জীবন পরিবর্তনশীল হবে সেটা বোধহয় তারা বিবেচনা করেন না। এটা হচ্ছে খুব দুঃখজনক।

ঢাকায় বসে সমালোচনা না করে উন্নয়ন দেখতে সারা দেশ ঘুরে দেখার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঢাকায় বসে অনেকেই সমালোচনা করেন। তাদেরকে আমার অনুরোধ থাকবে বাংলাদেশটা আপনারা একটু ঘুরে দেখবেন। পরিবর্তনটা কোথায় এসেছে, কতটুকু এসেছে। সকলে গ্রাম পর্যায়ে একটু যোগাযোগ করলে সেটা জানতে পারবেন। সবাইকে আমি বলবো আগে বাংলাদেশটা একটু ঘুরে আসেন।

দেশের সকল মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করাসহ সার্বিক উন্নয়নে প্রয়োজনের নিরিখে বিশেষ বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে- উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পল্লীসঞ্চয় ব্যাংক, আশ্রয়ণ প্রকল্প, ডিজিটাল বাংলাদেশ, শিক্ষা সহায়তা কর্মসূচি, নারীর ক্ষমতায়ন, সবার জন্য বিদ্যুৎ, কমিউনিটি ক্লিনিক ও শিশুর মানসিক বিকাশ, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, পরিবেশ সুরক্ষা ও বিনিয়োগ বিকাশ- এর মতো উদ্যোগসমূহ ইতোমধ্যে দেশের সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

সবাই স্বাধীনভাবে সরকারের সমালোচনা করতে পারে মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকারে এসে বেসরকারি খাতে টেলিভিশন, রেডিও সব কিছু উন্মুক্ত করে দিয়েছি। এখন সবাই কথা বলতে পারেন, টক শো করতে পারেন। অবশ্য এটা আমি জানি অনেক কথা বলার পরে বলবেন, আমাদের কথা বলতে দেওয়া হয় না। কিন্তু যখন টক শোতে কথা বলেন কেউ তো আপনাদের মুখ চেপেও ধরেনি বা গলা টিপেও ধরেনি। সবাই যার যার ইচ্ছে মতো বলতে পারেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশের কৃষক, আমাদের দেশের শ্রমিক, খেটে খাওয়া মানুষ, এই খেটে খাওয়া মানুষ তাদের ভাগ্য পরিবর্তন করাইতো আমার লক্ষ্য। ওই কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষ তাদের ভাগ্য পরিবর্তন করে তাদের একটু উন্নত জীবন দেব সেটাই আমাদের লক্ষ্য।

এসডিজি অর্জনে সরকারের কার্যক্রমের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এসডিজিতে যে সমস্ত বিষয়গুলো রয়েছে যেগুলো আমাদের জন্য প্রযোজ্য আমরা তা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি এবং বাস্তবায়ন করে যাব। কাজেই এই সমস্ত প্রকল্পগুলো যখন সম্পন্ন হবে বা মানুষ এর শুভ ফল যখন ভোগ করবে তখন এদেশের অর্থনীতির চাকা আরো উন্নত হবে, সচল হবে, দারিদ্র বিমোচন হবে। আমরা দেশের মানুষের সার্বিক উন্নতি করতে পারবো।

বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র প্রান্তে উপস্থিত থেকে সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম.এ মান্নান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলম।স্বাগত বক্তব্য রাখেন এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক জুয়েনা আজিজ।

জৈন্তা বার্তা ডেস্ক::

মে / ১৬ / ২০২২
০৭:২১ অপরাহ্ন

আপডেট : জুন / ২৬ / ২০২২
০৮:৫২ পূর্বাহ্ন

জাতীয়