মে / ০৭ / ২০২১ ১০:১২ পূর্বাহ্ন

জৈন্তা বার্তা ডেস্ক

এপ্রিল / ২৭ / ২০২১
০৮:০৮ পূর্বাহ্ন

আপডেট : মে / ০৭ / ২০২১
১০:১২ পূর্বাহ্ন

সিলেটের প্রতি উপজেলায় নির্মাণ হচ্ছে সরকারি মসজিদ, জৈন্তাপুরে খবর নাই


মডেল মসজিদ

74

Shares

সিলেট বিভাগে সরকারি উদ্যোগে নির্মাণ করা হচ্ছে ৪৩টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। সারাদেশে এরকম ৫৬০টি মডেল মসজিদ নির্মাণ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। সবগুলো মসজিদ একই ডিজাইনে নির্মাণ করা হচ্ছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন সিলেটের পরিচালক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ জানান, ইসলামী শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য প্রসারে দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় মডেল মসজিদ কমপ্লেক্স নির্মাণ করছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে প্রথমধাপে যেসব মসজিদ নির্মাণ হচ্ছে দক্ষিণ সুরমা উপজেলা মসজিদ এর অন্যতম।এরই মধ্যে দক্ষিণ সুরমা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স লাগোয়া ৪০ শতক জায়গার উপর  নির্মিতব্য তিনতলা মসজিদের নির্মাণ কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। 

সিলেট গণপূর্ত অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী ইকবাল শিকদার জানান, জেলা সদরে মডেল মসজিদ নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৫ কোটি ৬১ লাখ ৮১ হাজার টাকা। উপজেলা মডেল মসজিদ নির্মাণ ব্যয় ১৩ কোটি ৪১ লাখ ৮০ হাজার টাকা।  দক্ষিণ সুরমা উপজেলা মডেল মসজিদের নির্মাণ প্রায় ৯০ শতাংশ শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

তবে, জেলা মডেল মসজিদ, সদর উপজেলা মসজিদ, জৈন্তাপুর, কানাইঘাট ও  বিয়ানীবাজারে মসজিদ নির্মাণের কাজ এখনও শুরু হয়নি। বাকি সব মসজিদের নির্মাণ কাজ ২৫ শতাংশের কম হয়েছে বলে জানিয়েছে গণপূর্ত বিভাগ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের গোয়াইনঘাট উপজেলা কর্মকর্তা মাওলানা হাবিব জানান, গোয়াইনঘাট উপজেলা মডেল মসজিদের তৃতীয়তলার ঢালাইয়ের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। প্রায় ৪০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে।

প্রসঙ্গতঃ, জেলা সদর ও সিটি করপোরেশন এলাকার মসজিদগুলোতে একসঙ্গে ১ হাজার ২০০ মানুষ নামাজ আদায় করতে পারবেন। উপজেলা ও উপকূলীয় এলাকার মডেল মসজিদগুলোতে একসঙ্গে ৯০০ মানুষের নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা থাকবে। 

এ-ক্যাটাগরিতে ৬৪টি জেলা শহরে এবং সিটি করপোরেশন এলাকায় ৬৯টি চারতলা মডেল মসজিদ নির্মিত হচ্ছে। এই মসজিদগুলোর প্রতি ফ্লোরের আয়তন ২ হাজার ৩৬০ দশমিক ৯ বর্গমিটার।

বি-ক্যাটাগরিতে উপজেলা পর্যায়ে ৪৭৫টি মডেল মসজিদ নির্মাণ করা হচ্ছে। এগুলোর প্রতি ফ্লোরের আয়তন ১ হাজার ৬৮০ দশমিক ১৪ বর্গমিটার। সি-ক্যাটাগরিতে উপকূলীয় এলাকায় ১৬টি মসজিদ নির্মাণ করা হচ্ছে। এগুলোর প্রতি ফ্লোরের আয়তন ২ হাজার ৫২ দশমিক ১২ বর্গমিটার।

মসজিদ নির্মাণের পর ইসলামিক ফাউন্ডেশনের তত্ত্বাবধানে এসব মসজিদ পরিচালিত হবে। মসজিদের খতিব, ইমাম, মোয়াজ্জিন, খাদেম সবাই সরকারি বেতনভুক্ত হবেন।

বিশেষ ভাবে উল্লেখ্য,  বঙ্গবন্ধু মরহুম শেখ মুজিবুর রহমান ‘ইসলামিক ফাউন্ডেশন’ প্রতিষ্ঠাসহ ইসলামের প্রচার ও প্রসারে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন। তারই সুযোগ্য কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইসলামী শিক্ষার প্রসার ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালনে মডেল মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন। এটি বাংলাদশ তথা বিশ্বের ইতিহাসে একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

২০১৪ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে  জেলা ও উপজেলায় একটি করে উন্নত মসজিদ নির্মাণের প্র্রতিশ্রুতি দেন শেখ হাসিনা। সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ৮ হাজার ৭২২ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫৬০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সংস্কৃতি কেন্দ্র স্থাপন (১ম সংশোধিত) প্রকল্প নেওয়া হয়।

ইসলাম ও জীবন