জুন / ২৬ / ২০২২ ০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন

জৈন্তা বার্তা ডেস্ক

মে / ১৬ / ২০২২
০৭:৩২ অপরাহ্ন

আপডেট : জুন / ২৬ / ২০২২
০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন

এবার সিলেট নগরীতে বন্যার পানি ঢুকছে



74

Shares

সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। টানা বর্ষণ আর পাহাড়ি ঢলে সিলেটের তিন নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে করে নদী তীরবর্তী এলাকার নিম্নাঞ্চল তলিয়ে গেছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন লাখ লাখ মানুষ।

সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানিয়েছে, সুরমা, কুশিয়ারা ও সারি নদীর পানি তিনটি পয়েন্টে বিপদসীমা অতিক্রম করেছে। কয়েকটি পয়েন্টে গতকালের চেয়ে আজ পানি বেড়েছে।

এদিকে, সুরমা নদী উপচে সোমবার সকাল থেকে সিলেট নগরেও পানি প্রবেশ করতে শুরু করে। দুপুর পর্যন্ত পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।

পাউবো জানায়, আজ সোমবার সকাল ৯টায় সুরমা নদীর পানি কানাইঘাট পয়েন্টে বিপদসীমার ১.২৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। গতকাল সন্ধ্যা ৬টার চেয়ে আজ সকালে এ পয়েন্টে পানি বেড়েছে ০.৩ সেন্টিমিটার।

সুরমা নদীর পানি সিলেট পয়েন্টে গতকালের চেয়ে আজ বেড়েছে। গতকাল সন্ধ্যায় সিলেট পয়েন্টে পানি ছিল ১০.৪৯ সেন্টিমিটার। আজ সকালে পানি সীমা দাঁড়িয়েছে ১০.৬৬ সেন্টিমিটার।

কুশিয়ারা নদীর পানি আমলশিদ পয়েন্টে আজ সকালে বিপদসীমার ৬৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এ নদীর পানি শেরপুর পয়েন্টে বেড়েছে। গতকাল সন্ধ্যায় এ পয়েন্টে পানি সীমা ছিল ৬.৮৩ সেন্টিমিটার; আজ সকাল ৯টায় পানি সীমা হয় ৬.৯৬ সেন্টিমিটার। পানি বেড়েছে ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টেও। এখানে আজ সকাল ৬টায় পানি সীমা ছিল ৮.৭০ সেন্টিমিটার; সকাল ৯টায় পানি সীমা দাঁড়ায় ৮.৭৪ সেন্টিমিটার।

এদিকে, গোয়াইনঘাটের সারি নদীর পানি বিপদসীমার ০.৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ ছাড়া কানাইঘাটের লোভা নদীর পানি গতকালের চেয়ে বেড়েছে ০.৩৪ সেন্টিমিটার। গতকাল ছিল ১৪.৩৬ সেন্টিমিটার; আজ সকালে ১৪.৬৫ সেন্টিমিটার।

বৃষ্টি আর উজানের ঢলে পানি বৃদ্ধির কারণে সিলেট সদর, গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর, কানাইঘাট, কোম্পানীগঞ্জ ও জকিগঞ্জ উপজেলার নিম্নাঞ্চলগুলো তলিয়ে গেছে। বিভিন্ন জায়গায় উপজেলা সদরের সাথে যোগাযোগের প্রধান সড়কগুলো এখন পানির নিচে। শত শত ফসলি জমি ডুবে আছে।

সোমবার সকাল থেকে সুরমা নদীর তীর উপচে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পানি প্রবেশ করতে শুরু করে। এতে তলিয়ে যায়, নগরের উপশহর, সোবহানিঘট, কালিঘাট, ছড়ারপাড়, শেখঘাট, তালতলা, মাছিমপুরসহ বিভিন্ন এলাকা। এসব এলাকার বাসাবাড়ি, দোকানপাট ও বিভিন্ন স্থাপনায়ও পানি ঢুকে পড়ে।

নগরের কালিঘাট এলাকার ব্যবসায়ী নিলাঞ্জন দাশ টুকু বলেন, সকালে এসে দেখে নদী উপচে দেকানের সামনে পানি এসে গেছে। দুপুর গড়ানোর আগেই দোকানের ভেতর পানি ঢুকে পড়ে। এখন পুরো এলাকা তলিয়ে গেছে। পানি বৃদ্ধি অব্যহাত হয়েছেন। তিনি বলেন, এতো দ্রুত পানি বাড়তে আমি আগে কখনো দেখিনি।

নগরের সোবহানিঘাট এলাকার বাসিন্দা দেবজ্যোতি দাস বলেন, সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি বাসার ভেতরে পানি ঢুকে পড়েছে। আমাদের পুরো এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে।

জৈন্তা বার্তা ডেস্ক

মে / ১৬ / ২০২২
০৭:৩২ অপরাহ্ন

আপডেট : জুন / ২৬ / ২০২২
০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন

সিলেট