জুন / ২৬ / ২০২২ ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন

হবিগঞ্জ সংবাদদাতা::

জুন / ২২ / ২০২২
০২:০৩ অপরাহ্ন

আপডেট : জুন / ২৬ / ২০২২
০৭:১৮ পূর্বাহ্ন

বানিয়াচংয়ে বন্যায় ভেসে যাচ্ছে মৎস খামারিদের স্বপ্ন



18

Shares

হবিগঞ্জের বানিয়াচঙ্গে বন্যার পানিতে একে একে তলিয়ে যাচ্ছে প্রায় সবকটি পুকুর। বানের জলে ভেসে যাচ্ছে মৎস খামারিদের স্বপ্ন। তাতে একদিকে চলছে ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের আর্তনাদ অন্যদিকে চলছে মাছ ধরার উৎসব।

মৎস্যজীবীসহ প্রায় সব ধরনের মানুষ মেতে উঠেছেন এ উৎসবে। কারেন্ট জাল, কোনাজাল থেকে শুরু করে সব ধরণের নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করা হচ্ছে মাছ ধরা উৎসবে।

বড়মাছ ছোটমাছ, একেবারে ক্ষুদ্র আকৃতির পোনামাছ কিছুই আহরণ করা থেকে বাদ দিচ্ছেননা উৎসবে মেতে ওঠা মাছ শিকারীরা। পোনামাছ শিকারীদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন।

মঙ্গলবার (২১ জুন) পোনামাছ ধরার খবর পেয়ে বানিয়াচং থানার সামনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও এসিল্যান্ড ইফফাত আরা জামান উর্মি। এসময় পোনামাছ পাওয়ায় দু’জনকে অর্থদন্ড দন্ডিত করা হয়। দন্ডিতরা হলেন উপজেলা সদরের দত্তপাড়া গ্রামের বুছা মিয়ার ছেলে রাজন মিয়া ও নন্দীপাড়া গ্রামের আশিক মিয়ার ছেলে হামিম মিয়া। তাদের প্রত্যেককে দুইশত টাকা করে জরিমানা করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চলাকালে আশপাশের অনেককে তড়িঘড়ি করে বিভিন্ন ধরনের নিষিদ্ধ জাল তুলে পালিয়ে যেতে যেতে দেখা যায়। এসিল্যান্ডের সাথে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রমে সম্পৃক্ত ছিলেন তাঁর অফিসের অফিস সহকারী ইব্রাহিম খলিল, বানিয়াচং থানার এসআই দুলালসহ একদল পুলিশ।

অভিযান পরিচালনাকালে এসিল্যান্ড ইফফাত আরা জামান উর্মি বলেন, মোবাইল কোর্টের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। যেখানেই যার কাছে পোমাছ পাওয়া যাবে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সবাইকে সতর্ক করতে প্রথম প্রথম অল্প টাকা জরিমানা করা হয়েছে, পরবর্তীতে কারও কাছে পোনামাছ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বানিয়াচং উপজেলার বাসিয়াপাড়ার বাসিন্দা ও নতুন বাজারের ব্যবসায়ী মোতালিব হোসেন জানান, আমার ফিসারি থেকে ১৫ থেকে ১৬ লাখ টাকার মাছ এই পানিতে ভেসে গেছে। নির্বাচনের পরপরই সেই মাছ বাজারে বিক্রি করার কথা ছিল।


হবিগঞ্জ সংবাদদাতা::

জুন / ২২ / ২০২২
০২:০৩ অপরাহ্ন

আপডেট : জুন / ২৬ / ২০২২
০৭:১৮ পূর্বাহ্ন

হবিগঞ্জ