মে / ১৮ / ২০২২ ০৪:২২ অপরাহ্ন

সালাউদ্দিন বাবলু

জুলাই / ০৫ / ২০২০
১০:১৪ পূর্বাহ্ন

আপডেট : মে / ১৮ / ২০২২
০৪:২২ অপরাহ্ন

সকাল ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত রেস্টুরেন্ট খোলা রাখার অনুমতি চাই



216

Shares

এই করোনার সময়ে প্রকৃতি ও পরিবারের মধ্যেই শুধু সান্তনা মিলে।প্রথমে যদি প্রকৃতি নিয়ে বলি, প্রকৃতি উদারভাবে নিজেকে মেলে ধরেছে। কখনো পরিষ্কার আকাশ, কখনো আকাশ কালো হয়ে মেঘ ঝরছে। গাছ গাছালি পাতা, ফুল ও ফলে ভরে উঠেছে। জুলাই মাস চলছে, এখনও পর্যন্ত বিগত বছরের মত প্রচন্ড গরম পড়েনি।

আমরা যারা ব্যবসা করি, পরিবারকে পর্যাপ্ত সময় দিতে পারিনা। কিন্তু এখন বেশীর ভাগ সময় বাসায় থাকি। সন্তানদের দুষ্টুমি দেখে এবং সাননিধ্য ভালই লাগে। কিন্তু যখনই ব্যবসা রুটি রুজির কথা মনে হয়, তখনই অজানা আশংকায় পেয়ে বসে।

করোনার কারনে পৃথিবীর সকল রকমের কার্যক্রম মুখ থুবডে পড়েছে। সব রকম ব্যবসা বাণিজ্যে ধস নেমেছে।তার মধ্যে পর্যটন খাত অন্যতম।পর্যটন খাতের অন্যতম অংশ রেষটুরেনট ব্যবসা।দেশে করোনার প্রকোপ বাড়তে থাকলে,রেষটুরেনট গুলিতে অতিথির উপস্তিতি কমার কারনে মার্চ মাসের ১৫ তারিখের পর থেকে একের পর এক রেষটুরেনট গুলি বন্ধ হয়ে যায় নিজ থেকে।সকল কর্মকর্তা-কর্মচারি বাড়িতে চলে যায়।তারপর সরকার লক ডাউন ঘোষনা করলে,সবকিছু দীর্ঘদিন বন্ধ থাকে।

বর্তমানে সবকিছু সীমিত পরিসরে চালু হলেও, রেষটুরেনট গুলা বন্ধ। সুষ্পষ্ট ঘোষনা না থাকায় স্থানিয় প্রশাসন রেষটুরেনটে বসে খাওয়ার অনুমতি দিচ্ছে না। আমরা যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে খোলার দাবী জানিয়ে ছিলাম, কিন্তু কোন সদুত্তর পাইনি।

সরকারের অনুমতি থাকায় কিছু রেষটুরেনট টেইকওয়ে/হোম ডেলিভারী সার্ভিস চালু করেছে। কিন্তু বিক্রির পরিমান খুবই কম। এছাড়া অনলাইন ফুড ডেলীভার কোমপানিগুলো এই সুযোগে তাদের কমিশন বাড়িয়ে দিয়েছে। ফলে তাদেরকে প্রায় ২৫%এর বেশী কমিশন দিয়ে ব্যবসা চালু রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে।

অন্যদিকে গত কয়েক বছরে শহরে অনেকগুলো রেষটুরেনট,ক্যাফে,ফাষ্টফুড ও কফিশপ চালু হয়েছিল।যেগুলোর বেশীর ভাগের মালিক তরুন উদ্যোক্তা, যারা পড়াশুনার পাশাপাশি ব্যবসা করত। দীর্ঘ দিন বন্ধ থাকার ফলে তারা বিশাল ক্ষতির সম্মুখীন।

সিলেটে প্রায় দুই শতাধিকের উপরে ছোট বড় বিভিন্ন শ্রেণীর রেষটুরেনট আছে। যেগুলোতে প্রায় পাঁচ হাজারের বেশী শ্রমিক জড়িত। বর্তমানে তারা সবাই বেকার এবং খুবই কষ্টে আছে। রেষটুরেনট বন্ধ থাকলেও মালিকদের মাসে মাসে গুনতে হচ্ছে ভাড়া, বিভিন্ন বিল ও কর্মচারীদের বেতন।আমরা ব্যবসায়ীরা গভীর সংকটে পড়েছি ও কর্মচারীরা কষ্টে আছে। আমরা আসন সংখ্যা কমিয়ে দুরত্ব বজায় রেখে এবং যথাযথ সাস্থ্যবিধি মেনে ব্যবসা করব।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবী জানাই, রেষটুরেনট গুলোকে সকাল ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার অনুমতি দেয়া হোক। এতে সরকারের যেমন রাজস্ব সংগ্রহ হবে, আমরাও এই সংকট থেকে উত্তরণের চেষ্টা চালিয়ে যাব।

প্রকৃতি, পরিবার ও ব্যবসা (ভিডিও) 

সালাউদ্দিন বাবলু, সাধারন সম্পাদক, সিলেট জেলা ক্যাটারারস গ্রুপ।

 

সালাউদ্দিন বাবলু

জুলাই / ০৫ / ২০২০
১০:১৪ পূর্বাহ্ন

আপডেট : মে / ১৮ / ২০২২
০৪:২২ অপরাহ্ন

পাঠকের কথা